প্রশ্নঃ ওয়াজিব, মান্দুব (মাসনূন), মুস্তাহাব ও সুন্নতের মধ্যে পার্থক্য কি? — 26 এপ্রিল 2018

প্রশ্নঃ ওয়াজিব, মান্দুব (মাসনূন), মুস্তাহাব ও সুন্নতের মধ্যে পার্থক্য কি?

ফতোয়া নং ৫৯০ এর প্রথম প্রশ্ন

উত্তরঃ সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য। আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাঃ), তাঁর পরিবার ও সাহাবাদের (রাঃ) উপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক। কথা হলঃ নিম্নলিখিত পরিভাষা অনুযায়ী এই নামগুলোর অর্থ বিভিন্ন রকমঃ (১) যে ব্যক্তি ওয়াজিব (বাধ্যতামূলক) আমল করে সে আল্লাহর কাছে পুরস্কৃত হয়, যাই হোক যদি কেউ এই আমল না করে তাহলে তার শাস্তি হয়। (২) মান্দুব (প্রশংসনীয়), মুস্তাহাব (কাম্য) ও সুন্নত (নবী সাঃ থেকে যাই বর্ণিত হয়েছে) সমার্থক না হলেও একই জিনিস। এই সমস্ত নাম একই রকম আমলকেই বোঝায় যা যদি কেউ আমল করে তবে তাকে পুরস্কৃত করা হবে, কিন্তু যদি কেউ না করে তবে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে না।

আল্লাহ আমাদের সাফল্য দান করুন। আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাঃ), তাঁর পরিবার ও সাহাবাদের (রাঃ) উপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক।

ইলমী গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি (সৌদি আরব)।

আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনে মনি, আব্দুল্লাহ ইবনে ঘুদাইয়্যান, আব্দুল-রাজ্জাক আফিফি।

(ইংরেজীতে মূল ফতোয়াটি https://goo.gl/ja9Utz এই লিংকে দেখতে পারেন)

Advertisements
প্রশ্ন ১: মহিমান্বিত কুরআন মুখস্ত করা কি ফরয (বাধ্যতামূলক)? — 23 এপ্রিল 2018

প্রশ্ন ১: মহিমান্বিত কুরআন মুখস্ত করা কি ফরয (বাধ্যতামূলক)?

ফতোয়া নং ১৮৮৪৯ এর প্রথম প্রশ্ন

উত্তরঃ এটি মুখস্ত করা উম্মাহর (মুসলিম জাতি) প্রতিটি ব্যক্তির উপর ফরয নয়। যাই হোক কুরআন মুখস্ত করা সবচেয়ে ভাল একটি কুরবানী (যে নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি তালাশ করা হয়)। যদি কোন মুসলিম কুরআনের আদেশ এবং নিষেধ (হুদুদ) মেনে চলে তাহলে তার জন্য কুরআন মুখস্ত করা হতে পারে একটি মহান গুণ।

আল্লাহ আমাদের সাফল্য দান করুন। আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাঃ), তাঁর পরিবার ও সাহাবাদের (রাঃ) উপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক।

ইলমী গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি (সৌদি আরব)।

বকর আবু যাঈদ, সালিহ আল-ফাউজান, আব্দুল্লাহ ইবনে ঘুদাইয়্যান, আব্দুল আজিজ আল আল-শাইখ, আব্দুল-আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায।

(ইংরেজীতে মূল ফতোয়াটি https://goo.gl/omYHWW এই লিংকে দেখতে পারেন)

প্রশ্ন ৯: আমি ঘুমের কারণে ফজরের (ভোর) সালাত পড়তে পারি না। আমার চাকরি খুব কষ্টকর এবং কঠিন। আমি ওয়াক্ত অনুযায়ী সালাত আদায়ের জন্য ঘুম থেকে উঠতে পারি না, তাই সকাল ৭ টায় সূর্যোদয়ের পরে তা আদায় করি। উল্লেখ্য যে, আমি সকালের নাশতা করা ছাড়াই কাজ করতে চলে যাই, কারণ আমার কোন সময় থাকে না। আমি বাকি সালাতগুলো ওয়াক্ত মত আদায় করি, এবিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এব্যাপারে বিধান কি? —

প্রশ্ন ৯: আমি ঘুমের কারণে ফজরের (ভোর) সালাত পড়তে পারি না। আমার চাকরি খুব কষ্টকর এবং কঠিন। আমি ওয়াক্ত অনুযায়ী সালাত আদায়ের জন্য ঘুম থেকে উঠতে পারি না, তাই সকাল ৭ টায় সূর্যোদয়ের পরে তা আদায় করি। উল্লেখ্য যে, আমি সকালের নাশতা করা ছাড়াই কাজ করতে চলে যাই, কারণ আমার কোন সময় থাকে না। আমি বাকি সালাতগুলো ওয়াক্ত মত আদায় করি, এবিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এব্যাপারে বিধান কি?

ফতোয়া নং ২১২৬৪ এর নবম প্রশ্ন

উত্তরঃ আপনার জন্য ঘুমানো এবং ফজরের সালাত ওয়াক্ত অনুযায়ী না পড়া এবং ওয়াক্তের পরে তা আদায় করার জায়েজ নয়। আপনার অবশ্যই তওবা করা উচিত এবং মসজিদে ওয়াক্ত অনুযায়ী জামআতে সালাত আদায় করা উচিত, আল্লাহ যা নির্ধারিত করেছেন।

আল্লাহ আমাদের সাফল্য দান করুন। আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাঃ), তাঁর পরিবার ও সাহাবাদের (রাঃ) উপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক।

ইলমী গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি (সৌদি আরব)।

বকর আবু যাঈদ, আব্দুল্লাহ ইবনে ঘুদাইয়্যান, সালিহ আল-ফাউজান, আব্দুল আজিজ আল আল-শাইখ।

(ইংরেজীতে মূল ফতোয়াটি https://goo.gl/uUF5Mi এই লিংকে দেখতে পারেন)

%d bloggers like this: